সিনিয়র আপু যখন বউ (পর্ব-১৭)

| By admin | Filed in: সিনিয়র আপু যখন বউ.

সিনিয়র আপু যখন বউ (পর্ব-১৬)

View all stories in series

★ আমি বাইক নিয়ে তাড়াতাড়ি খালাম্মার বাসায় চলে গেলাম,, যেয়ে দেখি হাই হাই সব ভেঙ্গে তছনছ করে ফেলেছে,,, দেখি আপুর হাত দিয়ে রক্ত পড়ছে,,,, আমি তাড়াতাড়ি গিয়ে হাত ধরলাম???

কি করছো পাগল হয়ে গিয়েছো?
হ্যা আমি পাগল হয়ে গিয়েছি?

(আমি) তোমার হাত দিয়ে প্রচুর রক্ত পড়ছে,,, তাড়াতাড়ি আসো আমি হাত বেঁধে দেয়?

(আপু)না ছাড় তুই আমার হাত ধরবি না,,,।
(আমি) কেন শুধু শুধু পাগলামি করছ””” প্রচুর ব্লেডিং হচ্ছে তো?
(আপু) হতে দে তাতে তোর কি?
(আমি) দেখো তুমি যদি আমার সাথে না যাও,,, তাহলে আমার হাতও কেটে রক্ত ঝরাবো,,,,,

আমি একটা কাঁচ ভাঙা দিয়ে হাতে যে মাত্র হাত কাটতে যাবো,,,তখন আপু এসে আমার হাত ধরে ফেলল,,,

কি করছিস তুই পাগল হয়ে গেছিস,,, আমার হাত কাটলে ও,,, তোর হাত কাটা আমি সহ্য করতে পারবো না?

তাহলে আমার সাথে চলো,,,আমি আপুকে রুমে নিয়ে কাটা জায়গাটা স্যাভলন দিয়ে পরিষ্কার করে হাত বেধে দিলাম?

আপু কাঁদতে কাঁদতে বলতে লাগল,,, তুই আসলি কেন,?

তোমার জন্য,,, এত বড় হইছে এখনো ছোট বাচ্চাদের মত পাগলামি কোরো?

তুই জানিস না তোকে আমি কতটা ভালোবাসি,,, তুই কারো সাথে মোবাইলে বা এমনে কথা বললে আমি সহ্য করতে পারিনা?

আরে বাবা কালকে রিয়ার জন্মদিন,,, আমার বন্ধু শামীম গত তিন বছর ধরে রিয়া কে ভালোবাসে,,,, রিয়া আমার বন্ধু,,, আমি যাচ্ছি, রিয়াকে শামীমের হাতে তুলে দিতে,,,, কিন্তু রিয়া কিছুতেই রাজিনা? রিয়া আমাকে ফোন দিলে রিয়াকে বার বার বুঝিয়ে বলি,,,, রিয়ার জন্মদিনে রিয়াকে যে ভাবে হোক রাজি করাতে হবে?

(আপু) আমি এতকিছু বুঝিনা,,, তুই শুধু আমার,,, আমার সাথে কথা বলবি,,, আমার দিকে তাকিয়ে থাকবি?

(আমি) আচ্ছা ঠিক আছে,, তুমি যা বলবে আমি তাই করবো? এখন খানা খেয়েছো?

(আপু)না( অভিমানী কণ্ঠে)
(আমি) তুই চলে গেছিস কেন?
(আপু) আরে ওই সময় আমার মাথা গরম হয়ে গিয়েছিল,,,, তুমি বসো আমি খাবার নিয়ে আসি?

আমি রুম থেকে বাহির হতে যাবো,, দেখি খালা মনি খাবার নিয়ে আসছে,,,

(খালা) এই নে ধর,,, তোরা দুজনের খাবার,,, এত বড় মেয়েটা মাঝে মাঝে কি পাগলামি যে করে,,,,, তুই ওকে বুঝিয়ে সুঝিয়ে খাওয়া নোর চেষ্টা করিস।

আচ্ছা,, আমি খাবার নিয়ে বললাম” খেয়ে নাও,,,

(আপু) খাব না?
(আমি) কেন?
(আপু) আমার হাত কাটা কিভাবে খাব?
(আমি) আচ্ছা ঠিক আছে আমি চামচ নিয়ে আসছি?
(আপু) না আমি চামচ দিয়ে খাব না?
(আমি) তাহলে কিভাবে খাবা।
(আপু) আমি জানিনা?
(আমি) আচ্ছা ঠিক আছে আমি খাইয়ে দিচ্ছি,,,,, শাকচুন্নির দিকে তাকিয়ে দেখি,,,, একটা মুচকি হাসি দিয়েছে,,, হয়তো মনে মনে এটাই চাচ্ছে?

★ আমি আমার হাত দিয়ে খাইয়ে দিতে লাগলাম,,আপু ভাত চাবাচ্ছে পিচ্চি বাচ্চাদের মত,, আমি তার দিকে এক দৃষ্টিতে নিয়ে তাকিয়ে আছি?

(আপু) কি হলো তুই খাবি না?
(আমি) খাব পরে,, আগে তুমি খেয়ে নাও,,,
(আপু)না তুই এখনই খাবি?

কি আর করা আমি আপুকে খাইয়ে দিচ্ছি আমিও খাচ্ছি,,,,,, খাওয়া দাওয়া শেষ করে আপুকে বললাম,,, এখন একটু রেস্ট করো? আমি শামীম কে নিয়ে একটু মার্কেটে যাবো,,,,

(আপু) কেন মার্কেটে কেন?
(আমি) আরে শামীম রিয়াকে একজোড়া কাচের নুপুর দিয়ে প্রপোজ করবে? কিন্তু শালা আমাকে ছাড়া নাকি মার্কেটে যাবে না?

(আপু) আচ্ছা ঠিক আছে সন্ধ্যার আগে চলে আসবি,,,, আর মার্কেটে গিয়ে কোন মেয়ের দিকে তাকাতে পারবিনা,,,, খবরদার যদি তাকিয়েছিস,,, তাহলে আমি আবার কিছু একটা করে বসবো,,,

এই শাকচুন্নি কে নিয়ে তো মহা সমস্যা আছি,,, এখনো বিয়ে করিনি কিচ্ছু করিনি,,, এর দিকে তাকাতে পারবি না ওর দিকে তাকাতে পারবিনা,,, মোবাইলে কথা বলতে পারবি না,,,,, এই মেয়েকে বিয়ে করলে তো জীবন তামা তামা হয়ে যাবে,,,, কি জন্য যে এত রাগী মেয়ের প্রেমে পড়তে গেলাম?

(আমি) আচ্ছা ঠিক তাকাবোনা,,, আমি এখন যাই,,,, তুমি রেস্ট নাও?

বন্ধু শামীমের সাথে মার্কেটে চলে গেলাম,,, পাক্কা চার ঘন্টা ঘুরে একজোড়া কাচের নুপুর পেয়েছি,,,, এর ভিতর শাকচুন্নি কয়েক বার ফোন দিয়েছে,, একটু একটু কথা বলে রেখে দিয়েছি।

সন্ধ্যার দিকে বাসায় ফিরলাম আম্মু দেখেই বলতে শুরু করল,,, সারাদিন কোথায় থাকিস কি করিস,,, পড়ালেখার তো নাম গন্ধ নাই,,,, আর এই তিন দিন ধরে বাসায় তিন বেলা ও খাস নাই,,, এভাবে চলতে থাকলে হবে?

আমি কি করবো তোমার বোন ঝি এইতো আমাকে ডেকে ডেকে নিয়ে খাওয়াই,,,, আর না গেলে আমাকে ধমক মারে?

(আম্মু) মেয়েটা খুব ভালো রে?
(আমি) কচু ভালো কথায় কথায় আমাকে থাপ্পড় মারে।
(আম্মু ) তুই ওর ছোট ওর সাথে ফাইজলামি করলে থাপ্পড় তো দিবেই?
(আমি) কি জন্য থাপ্পর দে ও তুমি বুঝবে না।

(আম্মু) আমার এত বোঝাবোঝির দরকার নাই এখন গিয়ে পড়তে বস?

চলে আসলাম রুমে,,, আমার আবার পড়ালেখা,,,, না পড়লেও আম্মু আবার বকা দিবে,,, তাই বাধ্য হয়ে বইটা নিয়ে বসলাম,,,, 10 মিনিট পড়ার পর মোবাইলে মাইকেল জ্যাকসনের গানটা বাজতে লাগলো,,,,,,,, আমি বুঝে ফেলেছি কে ফোন দিয়েছে,,,,,, শাকচুন্নি ছাড়া আর কেউই হবে না।।। স্ক্রিনের দিকে তাকিয়ে দেখি যা ভাবছে তাই,,,,, পড়ালেখা এখন চাঙ্গে উঠবে।

★ ফোনটা রিসিভ করে কথা বলতে শুরু করলাম শাকচুন্নি গুন্ডি মেয়ে এত কথা বলতে পারে,,,, কানটা একবারে ঝালাপালা করে ফেলেছে।

আধা ঘন্টা কথা বলে রেখে দিলাম,,, বইটা দিল মেরে বিছানার ওপর ফেলে,,, ল্যাপটপ নিয়ে বসে পড়লাম,,, এক বন্ধুর সাথে চ্যাট করতেছি,,, হঠাৎই দরজায় আম্মুর কটকট শব্দ,,,,,,, তাড়াতাড়ি ল্যাপটপ অফ করে,,, বইটা নিয়ে পড়তে শুরু করলাম,,,,

(আম্মু) কি হল দরজা মিলিস না কেন?
বইটা হাতে নিয়ে পড়তে পড়তে দরজা খুললাম,,,,,,, আম্মু আমার এভাবে পড়া দেখে হাসতে লাগলো,,,

(আমি) হাসো কেন?
(আম্মু) তুই মার চোখ ফাকি দিবি?
(আমি) কেন?
(আম্মু) এতক্ষণ তো আমি পড়ার আওয়াজ পাই নাই,, নিশ্চয় দরজা বন্ধ করে ল্যাপটপ টিপতে ছিলি,,, আর না হয় মোবাইল ঘাটাঘাটি করতেছি লি?

আমি আর কিছু বলি নাই প্রতিটি মা এই সন্তানের অন্তরের খবর জানে,,,, সবার চোখ ফাঁকি দিতে পারলেও,,, মার চোখ কখনও ফাঁকি দেওয়া যায় না,, এ যে এক মায়ের সাথে সন্তানের নাড়ির সম্পর্ক।

(আমি) কে বলল তোমাকে আমি ল্যাপটপ চালাচ্ছিলাম,,,, আমি তো এতোক্ষণ পড়তেছিলাম?
(আম্মু) হইছে হইছে আর বানিয়ে মিথ্যা বলতে হবে না,,, এখন খেতে আয়?

(আমি) তুমি যাও আমি আসছি?
(আম্মু) তাড়াতাড়ি আয় খাবার ঠান্ডা হয়ে যাবে?

আমি আর কিছু না বলে বইটা রেখে খানার টেবিলে চলে গেলাম? হঠাৎ করে ফোনটা বেজে উঠলো,,,, মোবাইলের দিকে তাকিয়ে দেখে শাকচুন্নি মানে আপু ফোন দিয়েছে?

(আমি) হ্যালো?
(আপু) কোথায় তুই?
(আমি) আমি তো বাসায়?
(আপু) তোকে না বললাম রাতে এখানে আসার জন্য?
(আমি) কিভাবে আসবো,,, আম্মু বকা দিচ্ছে সারাদিন আমি নাকি বাহিরে বাহিরে থাকি?
(আপু) খালামণির কিচ্ছু বলবে না,,, তুই আয়?
(আমি) না আমি পারব না?
(আপু) তুই না আসলে,,, দুপুরে যেভাবে হাত কাটছিলাম,,, সে ভাবে হাত কাটবো?
(আমি) শুধুশুধু কেন পাগলামি করো?

(আম্মু) কি হয়েছে রে?
(আমি) দেখো তোমার আদরের বোন জি কি বলে?

আম্মুর কাছে ফোনটা ধরিয়ে দিলাম,,,, কে জানে কিছুক্ষণ কি জানি বললো শাকচুন্নি আম্মুর সাথে,,,, ফোন রাখার পরে আম্মু বলতে লাগলো,,,, যা তোর খালামণির বাসায় থেকে আয়?
(আমি) কেন আমি যেতে পারব না?
(আম্মু) আমি বললাম তোকে যেতে তুই যা?

আমি আর কিছু না বলে বাইক নিয়ে খালামনির বাসায় পৌছে গেলাম,,,, সোজা আপুর রুমে গিয়ে দেখি,,, শাকচুন্নি গুটিশুটি মেরে বসে নখ কামড়াচ্ছে?

আমি দূর থেকে দেখে মাথা খারাপ হয়ে গেল,,,, কি যে একটা খারাপ উদ্দেশ্য মনের ভিতরে জাগনা দিয়ে উঠলো,,, আপু বেখেয়ালি নখ কামড়েইযাচ্ছে,,, আমি নিজেকে কন্ট্রোল করতে পারছি না,,,, আপুর ঠোটের দিকে আমাকে আকর্ষণ করে তার টানছে,,,, নিজেকে আর ধরে রাখতে পারতেছি না,,,, দিলাম এক ধমক,,,, এই কি করতেছো?

আপু হঠাৎ করে আমার কথা শুনে চমকে উঠলো,,, মুখ থেকে হাত সরালো?
(আপু) তুই কখন আসলি?
(আমি) তুমি কি করতে ছিলে নখ কামড়াচ্ছিলা কেন?

(আপু) কেন নখ কামড়ালে কি হয়?
(আমি) তোমার নখ কামড়ানোর দৃশ্য দেখে আমার যে কেমন কেমন লাগতেছিল,,, আর এভাবে কখনো নখ কামড়াবে না,,, তা না হলে আমি কিছু একটা করে বসবো?

(আপু) লুচ্চা ছেলে বদমাশ ছেলে চুপ কর,,, কি করে বসবি?

(আমি) ও তুমি বুঝবে না আমি কি করি?
(আপু) আমি না বুঝলে এখনই নখ কামড়াবো,,,,,
(আমি) দেখো এ কাজ তুমি করো না,, তাহলে নিজেকে সামলাতে পারবো না,,,

কিন্তু শাকচুন্নি আমার কথা শুনে নাই নখ কামড়ানো শুরু করে দিয়েছে,,,, আমি নিজেকে আর ধরে রাখতে না পেরে,,, আপুর ঠোটের মধ্যে আমার ঠোঁট মিলিয়ে মিলিয়ে দিলাম,,,, আপু আমার ঠোটের উষ্ণ ছোঁয়া পেয়ে চোখ বন্ধ করে ফেলেছে সারা শরীর একটা কম্পন দিয়ে উঠলো,,,, নিজের অজান্তেই আমার গেঞ্জি খামছি এ ধরলো,,,, দু তিন মিনিট লম্বা চুম্বনের পর ছেড়ে দিলাম,,,, আপু চোখ বন্ধ করে হাপাচ্ছে, আমিও হাপাচ্ছি,,, আমার জীবনে প্রথম কোন মেয়েকে চুম্বন প্রথম অনুভূতি প্রথম ফিলিংস,,, কি যে এক ভালো লাগা বলে বুঝাতে পারবো না,,,, আমি খানিকটা লজ্জা পেয়ে গেলাম,,, লজ্জা পেয়ে রুম থেকে বাহির হয়ে যাচ্ছি,,,

আপু নরম সুরে বলল কোথায় যাচ্ছিস,,,,,

আমি একটু বাহিরে যাচ্ছি 10 মিনিট পরে আসবো?

(আপু) না কোথাও যাবি না এদিকে আয়,,,,

আমি আপুর কাছে গেলাম কিন্তু লজ্জায় আপুর দিকে তাকাতে পারছি না?

(আপু) বদমাইশ ছেলে তোর মনে এই ছিল?
(আমি) আমি কি করবো তোমাকে তো আমি বারবার মানা করেছি??
(আপু) তাই বলে তুই?
(আমি) দেখো আমার উপর দোষ দিবা না? তোমাকে নিষেধ করার পরেও তুমি নখ কামড়েই যাচ্ছ,,,, আমি কি করবো,, তাই নিজেকে কন্ট্রোল করতে পারি নাই,,,

(আপু) হয়েছে হয়েছে আর বদমাশি করতে হবে না,,, এখন খেতে চল?

(আমি) আচ্ছা একটা কথা বলি,,
(আপু) কি?
(আমি) আমি জানি কিছুক্ষণ পরে পরে তোমাদের আসি,,,এসে খাওয়া দাওয়া করি,,, খালামণি কি ভাববে,,, খালামণি তো সন্দেহ করতে পারে?

(আপু) সন্দেহ করলে করুক,,, আর আমি আম্মুকে বলে দিয়েছি ফারাবী আমাদের বাসায় তিন বেলা এসে খাবে,,,, আম্মু আমার কথা শুনে আরো খুশি হয়েছে?

★ শাকচুন্নি খালামনি কি জন্য খুশি হয়েছে সে তুমি বুঝবা না,,, আমি বুঝতে পেরেছি,, খালামণির তো কোনো ছেলে সন্তান নেই,,, তাই বোনের ছেলে,,মানে আামকে নিজের সন্তানের মত দেখে,,,,, খুব ভালোবাসে,,খুব আদর করে,,, খালামণি যদি সত্যিটা জানতে পারে,,,,,, যে আমি তার মেয়ের সাথে ইটিশ পিটিশ করতেছি,,,,, তাহলে তিন বেলা খাওয়া কেন,,, বাসায়ই আসতে দেবে না?

(আপু) কি হলো কি ভাবছিস?
(আমি) না কিছু না?
(আপু) তাহলে খেতে চল?
(আমি) তুমি খাবে কি করে তোমার হাত তো কাটা,,,

(আপু)ও হ্যা তাই তো,,,
(আমি) আচ্ছা দাঁড়াও আমি খাবার নিয়ে আসছি,,,, শাকচুন্নি আমার কথা শুনে একটা মুচকি হাসি দিয়েছে?((((((( মনে মনে বলছে এইজন্যই তো তোকে ফোন দিয়ে এনেছি,,, তোর হাতে খাবো বলে)))))))

আমি খাবার এনে আগের মত নিজের হাতে খাইয়ে দিলাম,,,,, তারপর আমি খাওয়া দাওয়া করে বাসায় চলে আসলাম।
এসে ডায়রেক ঘুমের দেশে,,,

সকাল ৯টায় আম্মুর ডাকাডাকি ঘুম ভাঙলো?

(আম্মু) এই ফারাবী কি হল ওঠ,,, আর কত ঘুমাবি বেলা কয়টা বাজে জানিস,,, কলেজে যাবি না,,, এক সপ্তাহ ধরে কলেজে যাস না?

(আমি) আম্মু সকাল বেলা চিল্লা চিল্লা কইরো না,,,, আজকেও কলেজে যাব না,?
(আম্মু) কেন আজকে কলেজে যাবি না কেন?
(আমি)আরে আজকের রিয়ার জন্মদিন?
(আম্মু) রিয়ার জন্মদিন আজকে?
(আমি)হ্যা?
(আম্মু) আচ্ছা ঠিক আছে এখন ফ্রেশ হয়ে নাস্তা করতে আয়?

(আমি) তুমি যাও আমি আসছি,,,,,

★ ঘুম থেকে উঠে নাস্তা করে,, চলে গেলাম বাহিরে,,, বন্ধুদের সাথে ঘন্টা তিনেক আড্ডা দিলাম,,, আর বন্ধুর শামীমকে বুঝি দিয়ে আসলাম,,,, কিভাবে রিয়াকে প্রপোজ করতে হবে,,,,

তারপর বাসায় এসে গোসল দিয়ে প্রায় 5 দিন পরে দুপুরে আমাদের বাসায় খেলাম?

তারপরে এক ঘুম দিলাম এক ঘুমে সন্ধ্যা ৬ টা,,, মোবাইলের দিকে তাকিয়ে দেখি ২০ টা ফোন,,,৭ টা রিয়ার বাকি গুলো আপুর?

আমি ফ্রেশ হয়ে আপুকে ফোন দিলাম,,, শুরু হলো তার বকা এবং বক্তব্য,,,,,,, প্রায় এক ঘন্টার মতো আমার সাথে কথা বলল,,,,,রিয়ার জন্মদিন অনুষ্ঠানে আপুকে নাকি ইনভাইট করেছে,,,,, আমার সাথে নাকি যাবে,,,,,,,আমি বললাম তুমি আগে চলে যেও আমি পরে আসবো,,,,রিয়ার জন্য কিছু গিফট প্যাকেট করতে হবে?।

আমি সন্ধ্যা ৯. ৩০ রিয়াদের বাসায় গেলাম,,,যেয়ে দেখি রিয়ার বন্ধু বান্ধব,,, এবং আমারও কিছু বন্ধুবান্ধব এসে পৌছে গেছে,,,,,, সবাই আমার জন্য ওয়েট করতেছে,,,তাদের মাঝে আপু ও আছে,,,

★ আমি বিয়ার সামনে গিয়ে রিয়ার হাতে গিফট গুলো ধরিয়ে দিয়ে,,,,, রিয়া কে উইশ করলাম,,,, তারপর বিয়ার হাতে একটা স্পেশাল গিফটের প্যাকেট দিয়ে বললাম,,, এটা তোর স্পেশাল গিফট,,, এখন আপনারা জিজ্ঞাসা করবেন স্পেশাল গিফট টা কি,,,, স্পেশাল গিফট টা হল একটা ঘড়ি,,,, প্রায় ৩৫০ ডলার দিয়ে ঘড়িটা অর্ডার করে বানিয়েছি,,, এর ভিতরে ডিজাইন করা বন্ধুত্বের দুটো হাত আছে,,,, হাতের মেডেলে ঘড়ির কাঁটাগুলো,,, তার ঠিক নিচে রিয়ার নাম দেওয়া আছে,,,,

রিয়া গিফট টা খুলে অবাক হয়ে গিয়েছে,,,, ও কল্পনাও করেনি এমন গিফট আমি ওকে দিব,,,, ও আমাকে জড়িয়ে ধরে কেঁদে ফেললো,,,,ওকে মাথায় হাত বুলিয়ে কান্না থামানোর চেষ্টা করলাম,,,,,,

মাগার শাকচুন্নি যে আমার দিকে তাকিয়ে আছে,,, তা আমি বুঝতে পারিনি,,,, আমি যখন আপুর দিকে তাকালাম,,,,,আপুর চোখের আগুনের ঝিলিক দেখতে পাচ্ছি,,,,
এমন ভাবে তাকিয়ে আছে,,,,যে আজকে আমাকে রাতের ১৪ টার খবর দেখাবে,,,,

আমি অবস্থা ভেদিক দেখে রিয়াকে ছাড়িয়ে অন্য জায়গায় গিয়ে দাঁড়ালাম?

রিয়া স্বাভাবিক হয় সবার সাথে কথা বলছে,,,আমি একটু ঘুরতেই কেউ আমার গেঞ্জি ধরে টানছে?

পিছনে ঘুরে দেখি শাকচুন্নি,,হায় হায় আজকে তো আমাকে শেষ করে ফলবে?

আমাকে টেনে দুতলা ছাদের উপরে নিয়ে গেল,,,,?

(আপু) রিয়াকে জড়িয়ে ধরে কি করতে ছিলি?
(আমি) কই আমি কি করলাম?

(আপু)ঠাসসসসস,,ঠাসসসসস? বদমাইশ ছেলে,,,, কচি মেয়েরা জড়িয়ে ধরলে ভালো লাগে?

আমি রাগে এবং ব্যাথায় কেঁদে ফেললাম?
এমন জোরে থাপ্পর দিয়েছে,,, যে আমি 2 মিনিট ধরে আশেপাশের কোন সাউন্ড ঐ পাচ্ছিনা?

তুমি আমাকে এত জোরে
থাপ্পর মারলা কেন,,,,,,, আমি ব্যথা পাই না বুঝি,,,, তুমি আর আমার সাথে????

((((((চলবে))))))

নতুন ভিডিও গল্প!


Tags: , , , , , , , , ,

Comments